ঢাকা | রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক

পোপকে ‘রোহিঙ্গা’ উচ্চারণ করতে নিষেধ করলো মিয়ানমার

বাংলাপেইজ ডেস্ক: প্রকাশিত হয়েছে: ২৬-১১-২০১৭ ইং । ১৬:১০:০৫

মিয়ানমার সফরকালে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করতে পোপের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কার্ডিনাল চার্লস মং বো। মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনের আর্চবিশপের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস-এর এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে। উল্লেখ্য, আদি জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের জাতিগত পরিচয় স্বীকার করে না মিয়ানমার। তাদের নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন করতে ‘বাঙালি’ হিসেবে পরিচিত করতে চায় ইয়াঙ্গুন। রোহিঙ্গাদের পালিয়ে মিয়ানমারে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে দেখাতে চায় দেশটি।

আগামী সোমবার মিয়ানমার সফরে যাচ্ছেন ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। রোহিঙ্গা সংকটের তীব্রতার মধ্যে এই সফর হওয়াতে সবার আগ্রহের কেন্দ্রে থাকবে বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীকে নিয়ে তিনি কি বলেন সেই বিষয়টি।

লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস-এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রোহিঙ্গা শব্দ উচ্চারণে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চি এবং দেশটির সেনাবাহিনীর আপত্তি থাকায় কার্ডিনাল চার্লস মং বো পোপকে তা উচ্চারণ করতে মানা করেছেন।

এ বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের ওপর নিধনযজ্ঞ চালানো শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ বলে উল্লেখ করেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সেনাবাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্ট অং সান সু চি’ও তাদের নিয়ে ইতিবাচক কোনও মন্তব্য করেননি।

লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস বলছে, পোপ ফ্রান্সিসের এই সফর মূলত কূটনৈতিক হলেও এই বাস্তবতায় এটি হবে তার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

এ বছরের আগস্টে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধনযজ্ঞের ভয়াবহতায় তাদের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন পোপ ফ্রান্সিস।তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের কাছে আমরা সবাই প্রার্থনা করি তিনি যেন তাদের সুরক্ষিত রাখেন। তাদের সাহায্যে বাকিদের এগিয়ে আসতে বলেন; যারা তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এবার এক ভিডিও বার্তায় পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, এমন সম্মান ও উৎসাহের জায়গা থেকে আমি দেশটি সফর করতে চাই যেখানে ইতিবাচক পদক্ষেপের প্রতি পারস্পরিক মেলবন্ধন ও সহযোগিতার প্রচেষ্টা বিদ্যমান থাকবে।

আগস্টে রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধনযজ্ঞ শুরু হওয়ার আগে সেখানে ১০ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস ছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে এদের অনেকেই বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গত বুধবার মিয়ানমার সফরের পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনও রাখাইন পরিস্থিতিকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এই হত্যাযজ্ঞের পক্ষে কোনও অজুহাতই দেওয়া যায় না।

#এস আর/বাংলাপেইজ

শেয়ার করুন
সর্বশেষ খবর আন্তর্জাতিক
  • বৃটেনে যৌন হয়রানি অব্যাহত
  • কাবুলে তালেবান জঙ্গিদের হামলায় ১৮ সেনা নিহত
  • বৃটেনে তরুণীদের ওপর যৌন হয়রানি করছে দলবদ্ধ একটি চক্র
  • উত্তর কোরিয়ার নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র
  • রাখাইনের রাজধানীতে বোমা বিস্ফোরণ
  • সৌদিআরব সিনেমা, বিনোদনের জন্য এখন শত কোটি ডলার খরছ করছে
  • মিয়ানমার রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রমান ধ্বংস করছে
  • নিজ দল থেকে সরিয়ে দেয়া হল নওয়াজ শরীফকে
  • পেরুতে বাস খাদে পড়ে ৪৪ জন নিহত
  • এবার জাকারবার্গকে ছাড়িয়ে প্রিয়া
  • সিরীয় বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ৭৭
  • ইরানি বিমান বিধ্বস্ত : ৬৬ যাত্রীই নিহত
  • ইরানি বিমান বিধ্বস্ত : ৬৬ যাত্রীই নিহত
  • ইরানে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত
  • মেক্সিকোয় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে হয়ে শিশুসহ ১৪ জন নিহত
  • রাশিয়ার ব্যাংক থেকে ৬০ লাখ ডলার চুরি করেছে হ্যাকাররা
  • নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করলেন খাদগা প্রসাদ শর্মা অলি
  • দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা
  • দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার পদত্যাগ
  • পাকিস্তানের কাছে গোপন তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে ভারতের এক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আটক
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।