ঢাকা | মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষনায় গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ সিরিয়া থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া নিউ ইয়র্কে হামলা : উদ্বেগে বাংলাদেশি অভিবাসীরা ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও সাবেক ডেপুটি-মেয়রের নাম নতুন প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদের প্রাচীরে উঠায় এক যুবক গ্রেফতার: শর্তসাপেক্ষে মুক্তি বাংলাদেশের দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার লড়াইয়ের ইতি কাতার-সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার সম্পদের খবর সর্ম্পণ মিথ্যা বানোয়াট: মধ্যে প্রাচ্যে বিএনপি আগামীকাল ফ্রান্স ডেমনস্ট্রেশনে  যোগ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য বিএনপির  ২ শতাধিক  নেতাকর্মী দলীয় নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা : যুক্তরাজ্য বিএনপির  বিবৃতি
খেলাধুলা

আবারো মাশরাফি ক্যারিশমায় রংপুরের জয়

বাংলাপেইজ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে: ২৯-১১-২০১৭ ইং । ১৪:৫৮:৩৯

রংপুর রাইডার্সের জয়ের জন্য প্রয়োজন ১২ বলে ২০ রান। হাতে তখন চার উইকেট। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এ লক্ষ্য খুব কঠিন নয়, তবে সহজও নয়। কিন্তু ক্রিজে তখন দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তাই একটুও আশা ছাড়েনি রংপুরের ভক্তরা। তাদের সেই বিশ্বাসের মান রেখেছেন সবার প্রিয় ম্যাশ। যদিও পাকিস্তানি সোহেল তানভিরের ওভারে মনে হচ্ছিল জয় যেন হাতছাড়াই হবে। তার প্রথম পাঁচটি বলে বড় কোনো রানও আসেনি। কিন্তু শেষ বলে ছয় হাঁকালেন মাশরাফি। তাতে শেষ ৬ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৯ রান। এরপর টিম ব্রেসনান ওয়াইড বল দিয়ে শুরু করলেন। বলের সঙ্গে একটি রানও যোগ হলো রংপুরের খাতায়। পরের বলে ব্যাট ছোঁয়ানো গেলো না। কিন্তু তার পরের বলেই মাশরাফি বল উড়িয়ে মারলেন লং অনের ওপর দিয়ে। ৬ হতেই গ্যালারিজুড়ে রাইডার্সের জয়ের উৎসব শুরু। ৪ বলে নিতে হবে দুই রান। কিন্তু মাশরাফি ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদল করলেন। এবার নাহিদুল ইমলাম দলের অপেক্ষা না বাড়িয়ে হাঁকালেন চারের মার। তাতেই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৪ উইকেটে জয়ের উৎসবে মতোয়ারা রংপুর শিবির। আগের ম্যাচে ওয়ান ডাউনে নেমে ১৭ বলে ৪২ রান করা পেসার মাশরাফির ক্যারিশমাতে জয় এসেছিল। গতকাল তার চৌকস ক্যারিশমাতে গতকালও জয়। তাতেই ৯ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বেশ ভালোভাবে থাকলো শেষ চারের আশা। অন্যদিকে ১০ মাচের ছয়টিতে হেরে সিলেট সিক্সার্সের চারে খেলার স্বপ্ন ফিকে হয়ে গেল। শেষ দুই ম্যাচ জিততে না পারলে তাদের হতাশা নিয়ে বিদায় নিতে হবে নিজেদের খেলা প্রথম বিপিএল থেকে।
গতকাল নাসির হোসেনের সিলেট সিক্সার্সের জন্য ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে হেরেই শুরু হয় তাদের। টস জেতা অধিনায়ক মাশরাফি সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠাতে একটুও ভয় পাননি। বিশ্বাস ছিল নিজের বোলারদের ওপর। তবে ৫৩ রানে ৩ উইকেট হারানো সিলেট শেষ পর্যন্ত স্কোর বোর্ডে জমা করে ১৭৩ রান পাঁচ উইকেট হারিয়ে। এরপর জবাব দিতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি রাইডার্সের। সবাইকে অবাক করে গেইলের ব্রেন্ডন ম্যাককালামের পরিবর্তে ওপেনিংয়ে নামানো হয় জিয়াউর রহমানকে। চার হাঁকিয়ে প্রথম ওভারে ফিরে যান দলের অন্যতম ব্যাটিং ভরসা ক্রিস গেইল। তাই ম্যাককালমকে নামতেই হয়। তবে জিয়াকে নিয়ে যে বাজি ধরেন মাশরাফি। তাতে জিতেও যায় রংপুর। প্রথমবারের মতো ওপেনিংয়ে নেমে ঝড় তোলেন জিয়া। তার সঙ্গে ম্যাককালামের ৫৯ রানের জুটি দলকে দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড় করায়। ১৮ বলে ৩৬ রান করে জিয়া ফিরেন নাবিল সামাদের বলে স্টাম্পড হয়ে। এরপর ১৮ রান করে বিদায় নেন মোহাম্মদ মিঠুন। শুরুতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা ম্যাককালামকে সংগ্রাম করতে হয় পরে। ঠিকমতো টাইমিং হচ্ছিল না। নিজের জোনে বল পেয়েও কাজে লাগাতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত আবুল হাসানের স্লোয়ারে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় ম্যাককালামের ৪৩ রানের ইনিংস।
এরপর নাসির হোসেনের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে ফিরেন আফগানিস্তানের সামিউল্লাহ সেনওয়ারি। বিপদ বড় হয় রংপুরের। একই ওভারে দুবার বদলি ফিল্ডার শুভাগত হোম চৌধুরীর হাতে জীবন পাওয়া রবি বোপারাও ফিরেন রান আউট হয়ে। ৩৩ রান করে বোপারা আউট হলে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ১৬ বলে ২৮ রান। তবে সেখান থেকে মাশরাফি-নাহিদুল ইসলাম দুই বল হাতে রেখেই দলকে দারুণ জয় উপহার দেন। নাহিদ অপরাজিত থাকেন ১৪ ও মাশরাফি ১৭ রানে। বিপিএলে এ আসরে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান নূরুল হাসান সোহান ও নাসির হোসেনকে নিয়ে একটু জুয়া খেলেছিল সিলেট সিক্সার্স। সোহানকে ব্যাট হাতে পাঠানো হয়েছিল ওপেন করতে। কিন্তু মাত্র ৫ রানেই তিনি ফেরেন সাজঘরে। এমনকি অধিনায়ক নাসিরও ব্যাট হাতে তিনে নেমে দলের জন্য অবদান রাখেন মাত্র ৪ রানের। দুজনকেই সাজঘরে পাঠান স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু। তবে প্রথম থেকে হাল ধরে রাখার চেষ্টা করেন ওপেন করতে আসা সিলেটের ব্যাটিং ভরসা অন্দ্রে ফ্লেচার। তবে ২৮ রান করে তিনিও হাল ছাড়েন। মাশরাফি বিন মুর্তজার করা ম্যাচের প্রথম বলেই আউট হতে পারতেন ফ্লেচার। রবি বোপারার হাতে জীবন পাওয়া এ ক্যারিবিয়ান ওপেনারকেও বিদায় করেন নাজমুল। মাঝে তিন ম্যাচে উইকেট না পাওয়া বাঁ-হাতি স্পিনার এবার ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। তাই ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনিই। এরপর সাব্বির রহমানের সঙ্গে বাবর আজমের ৭৪ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সিলেট। ৩৭ বলে ৪টি চার আর একটি ছক্কায় ৫৪ রান করে বাবরের রান আউটে ভাঙে জুটি। দলকে দেড়শ’ রানে নিয়ে যান সাব্বির। ৫টি চারে ৪৪ রান করা ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে বিদায় করেন মাশরাফি। শেষটায় দুই ইংলিশ ক্রিকেটার রস হোয়াইটলি ও টিম ব্রেসনানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় সিলেট। যদিও শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি।

বাংলাপেইজ/ইমরান 

শেয়ার করুন
সর্বশেষ খবর খেলাধুলা
  • কুমিল্লাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে ঢাকা
  • হেরেও গ্রুপসেরা পিএসজি
  • কোহলিকে ভালোবাসেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ মানষি
  • ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে কোহলিরা
  • ঢাকাকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে কুমিল্লা
  • আবারো মাশরাফি ক্যারিশমায় রংপুরের জয়
  • ব্রাজিলের ফুটবলার রবিনহোকে ৯ বছরের কারাদন্ড
  • শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ঢাকাকে হারাল রংপুর
  • সিলেটের বিপক্ষে বড় জয় পেল ঢাকা
  • ‘রিয়ালের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই, নেইমার কেন নয়’
  • টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ১৭ বছর পূর্তি
  • বিপিএলে আজকের খেলা
  • খুলনা টাইটানসের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ
  • ‘সিলেটের বিশাল অর্জন’
  • সিলেটের মাঠে উৎসবের আমেজ
  • সেই প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন তাসকিন
  • অল্পের জন্য হেরে গেল বাংলাদেশ
  • বিরাটের কাছে আমির সেরা
  • অপরাজিত মুশফিকের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭৮
  • ‘মেসি বিশ্বসেরা, এতে কোনও সন্দেহ নেই’
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।