ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
বিদ্যালয়ে ভর্তি ফি ২০০০ টাকা! বাংলাদেশের ব্যাংক লুটপাটকারীদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশের দাবি সাংসদের ল্যাব এইডের সিসিইউতে নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভী:বিশ্রামে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের যুক্তরাজ্যে বেক্সিট প্রস্তাবে দেশটির নিম্নকক্ষে সমর্থন লাভ দুঃখে-ক্ষোভে জ্বলছে বিশ্বনাথ আওয়ামীলীগ:যে কোন সময় গণ-পদত্যাগ! নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইন স্পেন এর নেতৃবৃন্দ সর্বস্তরেরে প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলে বাংলাদেশ অষ্ট্রিয়া ইকোনোমিক চেম্বার অফ বিজনেস এসোসিয়েশন এর সভা অনুষ্টিত ছাতক মিডিয়া সেন্টার পরিদর্শন করলেন সাবেক সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে নয়াদিল্লি: সুষমা কক্সবাজারে বসতঘরে একই পরিবারের ৪ জনের লাশ
মুক্তমত আ.ফ.ম সাঈদ

গতানুগতি আলিম ছিলেন না তিনি

প্রকাশিত হয়েছে: ১৮-১২-২০১৭ ইং । ২১:৩২:২১

তার সঙ্গে আমার প্রথম দেখা ২০০৯ সালে নগরীর সোবহানিঘাটে আজাদ দ্বিনি এদারায়ে তা'লিমের কার্যালয়ে আহূত সংবাদ সম্মেলনে। আমার আব্বা মাওলানা আব্দুল গনি মিরেরচরি হুজুর র. এবং লন্ডন প্রবাসী দুলাভাই মাওলানা তহুর উদ্দিনের কথা বলতেই চিনে ফেললেন।

বললেন, ঢাকার লালবাগ মাদ্রাসায় দুলাভাই ছিলেন তার সহপাঠী। তিনি শায়খুল হাদিস মাওলানা আব্দুল বাসিত বরকতপুরি র.।

এর পর অনেকবার এই মহান আলিমের সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য হয়েছে। আজাদ দ্বিনি এদারায়ে তা'লিমের অফিসে অথবা বারুতখানা মহিলা টাইটেল মাদ্রাসায়। তিনি এই মাদ্রাসারও শায়খুল হাদিস ছিলেন। তার সহবতে গেলে সহজে উঠতে পারতাম না।

কেমনে জানি দু তিন ঘন্টা চলে যেত। ইসলামি বিভিন্ন বিষয়, রাজনীতি ও সমকালীন নানা ব্যাপারে আলাপ করতেন। আমিও অনেক বিষয় জেনে নিতাম। চা-বিস্কুট দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। ক্ষণজন্মা, বিচক্ষণ ও দিলখোলা ছিলেন। চিন্তা-চেতনায় ছিলেন আধুনিক। তিনি গতানুগতিক আলিম ছিলেন না। বাংলা ভাষা বেশ ভালো জানতেন।

আমার লেখা "শব্দে মিল অর্থে অমিল" বইটি নিজে চেয়ে নেন। "মাওলানা" শব্দ এবং "আল্লামা" শব্দের প্রয়োগ সম্পর্কে আমি দীর্ঘ দুটি নিবন্ধ লিখি। দুটি নিবন্ধ লিখতে হুজুর অনেক সহযোগিতা করেছেন। তথ্য দিয়েছেন। "আল্লামা" নিবন্ধটি লিখে পত্রিকায় প্রকাশের পূর্বে তাকে দিয়েছিলাম। তিনি কয়েক দিনে পড়ে কিছু বিষয় যোগ-বিয়োগ করেন। তিনি অসুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত যে-কোনো সময় তাকে ফোনে কল করে প্রয়োজনীয় বিষয়ে জেনে নিতাম।

১৯৬৯ সালে আমি আজাদ দ্বিনি এদারার অধীনে রাণাপিং মাদ্রাসা কেন্দ্রে সাফেলা চাহারমে (হেদায়াতুন্নাহো) ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে ভালোভাবে উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। কিন্তু এদারার সনদ (সার্টিফিকেট) নিইনি। বরকতপুরি হুজুর এটা শুনে প্রায় ৪৩ বছর আগের খাতাপত্র বের করান।

অনেক ঘেঁটে খুঁজে পান আমার পরীক্ষার নথিপত্র। তারপর তিনি নিজে স্বাক্ষর করে আমাকে সনদ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, তিনি ছিলেন আজাদ দ্বিনি এদারায়ে তা'লিমের মহাসচিব। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ইল্লিনে রাখুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউস তার আবাস করুন।

লেখক : সিলেটের বিশিষ্ট সাংবাদিক

#ম.র/বাংলাপেইজ

শেয়ার করুন
সর্বশেষ খবর মুক্তমত
  • ইংল্যান্ডকে আমরা বিলেত বলি কেন?
  • ভালো থাকুন ওপারে
  • শিক্ষক মেরে শিক্ষা বাঁচানো যায় না
  • গতানুগতি আলিম ছিলেন না তিনি
  • আসুন ভালোবাসার লড়াই করি
  • রাস্তা ঘাটের বেহাল দশার জন্য দায়ী কারা?
  • বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আপনার করনীয়
  • সাইদুর এবং..
  • ‘বঙ্গশার্দূল’ ওসমানী অবহেলিত কেন ?
  • "খন্দকার মোশতাক চক্রের প্রেতাত্নারা নানা মুখোশে রাজনীতি করছে সর্বত্র"
  • নোবেল কি পাবেন শেখ হাসিনা?
  • ‘ঈদ’-‘ইদ’ বানান বিতর্ক, বাস্তবতা ও একটি প্রস্তাব
  • বাঙ্গালি দ্বারা রোহিঙ্গা নির্যাতন..!!!
  • হায় হেফাজত!
  • ‘আমরা সামরিক ভাষায় কথা বলতে চাই’
  • জনগণের হাতে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা বিএনপি’র
  • কঠিন অগ্নি পরীক্ষার মুখোমুখি দেশ
  • প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব
  • মাহবুব আলী খান 
  • বিএনপির রাজনৈতিক পুনর্বাসন রাষ্ট্র ক্ষমতা নাকি নির্বাসন?
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।