ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
বিদ্যালয়ে ভর্তি ফি ২০০০ টাকা! বাংলাদেশের ব্যাংক লুটপাটকারীদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশের দাবি সাংসদের ল্যাব এইডের সিসিইউতে নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভী:বিশ্রামে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের যুক্তরাজ্যে বেক্সিট প্রস্তাবে দেশটির নিম্নকক্ষে সমর্থন লাভ দুঃখে-ক্ষোভে জ্বলছে বিশ্বনাথ আওয়ামীলীগ:যে কোন সময় গণ-পদত্যাগ! নরসিংদী ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইন স্পেন এর নেতৃবৃন্দ সর্বস্তরেরে প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলে বাংলাদেশ অষ্ট্রিয়া ইকোনোমিক চেম্বার অফ বিজনেস এসোসিয়েশন এর সভা অনুষ্টিত ছাতক মিডিয়া সেন্টার পরিদর্শন করলেন সাবেক সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে নয়াদিল্লি: সুষমা কক্সবাজারে বসতঘরে একই পরিবারের ৪ জনের লাশ
ঢাকা

গোপালগঞ্জে বোরো ধানের চার ভাগের এক ভাগ সেচের পানিতে যাচ্ছে

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা: প্রকাশিত হয়েছে: ১১-০১-২০১৮ ইং । ১৩:৩৩:৪৭

বড় আফসোস করে জানালেন বাদশা মোল্ল্যা (৬০) নামের এক কৃষক যে তার উৎপাদিত বোরো ধানের চার ভাগের এক ভাগ সেচের পানি বাবদ দিতে হচ্ছে প্রতি বছর। তার বাড়ী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ইছাখালি গ্রামের দক্ষিন পাড়ায়। প্রতি বিঘা জমিতে যে পরিমান বোরো ধান উৎপাদিত হয় তার থেকে চার ভাগের এক ভাগ সেচের পানিতে চলে যায়। কিছু ধান দিতে হয় কর্তনকারী কৃষি শ্রমিকদের আর কিছু দিতে হয় মাড়াইকারীদের। সব খাতে খরচ বাদে যে ধান থাকে তাতে তার লাভ বলে কিছু হয় না। সদালাপি এই কৃষক মানুষটি বেশ গম্ভীরভাবে জানালেন এসব কথা। জালালাবাদের মধুমতি বাজারে বসে তার সাথে কথা হচ্ছিল শীতের সকালে।
বাদশা মোল্ল্যা জানালেন তার জমিসহ  প্রায় দশ বিঘা জমিতে সেচের পানি সরবরাহ করেন ইমদাদুল শেখ (৫৫) নামে এক ব্যাক্তি। ইমদাদুল শেখ বেশ কয়েক বছর যাবৎ ডিজেল চালিত মেশিন ব্যবহার করে বোরো ধানের জমিতে পানি সরবরাহ করে থাকেন। মেশিনের ব্যয় ভার নির্বাহ করে তার লাভ হয় বেশ। কিন্তু কৃষকের অবস্থা শোচনীয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরনের কোন উপায় বাদশা মোল্ল্যা যেমন জানেন না তেমনি জানেন না ইছাখালি বা প্রতিবেশী গ্রামের সাধারন কৃষকরা।
বাদশা মোল্ল্যার সাথে আলাপ করে জানা গেছে ঐ এলাকার জমি সমুহে ৩০ থেকে ৪০ মনের বেশী বোরো ধান পাওয়া যায় না প্রতি বিঘায়। সেখান থেকে চারের এক ভাগ যদি শুধু সেচের পানির দাম হিসাবে মেটাতে হয় তবে বোরো চাষ করে কি লাভ এমন প্রশ্নও করেছেন তিনি। এলাকার হিরু শেখ এবং নেপো শেখ বিশ বিঘা করে জমিতে সেচের পানি সরবরাহ করেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। তাদের মতো আরও কয়েকজন পানি ব্যাবসায়ী রয়েছেন যারা এলাকায় বোরো মৌসুমে সেচের পানি বিক্রি করেন। পানির মূল্য হিসাবে ধান দিতে হয় কৃষককে।
এসব সমস্যা নিয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন জালালাবাদের ইছাখালি গ্রামের কোন কৃষক তাদেরকে এ যাবৎ  সৃষ্ট সমস্যা সম্পর্কে অবগত করে নাই। কৃষকরা এসব সমস্যা নিয়ে সরাসরি আলাপ করলে যে কোন ধরনের সহায়তা দেয়া হবে। বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে যাতে সেচের পানি খাতে ব্যায় কমানো যায় সে মোতাবেক ব্যাবস্থা নিতেও কৃষকদের সাহায্য করা সম্ভব।



 

#এস আর/বাংলাপেইজ

শেয়ার করুন
সর্বশেষ খবর ঢাকা
  • বিদ্যালয়ে ভর্তি ফি ২০০০ টাকা!
  • ল্যাব এইডের সিসিইউতে নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভী:বিশ্রামে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের
  • ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন স্থগিত
  • কোটালীপাড়ায় ত্রুটিপূর্ণ বই সরবরাহের অভিযোগ
  • মুকসুদপুরে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-১
  • কাশিয়ানীতে মৃত সার ডিলারের নাম না পাল্টে ব্যবসা চলছে
  • জাবিতে সেলিম আল দীনের ১০ম প্রয়াণ দিবস পালিত
  • গোপালগঞ্জে শিক্ষকদের মানব বন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
  • গোপালগঞ্জে বালুবাহি ট্রলির চাপায় বশেমুরবিপ্রবি’র ছাত্রী নিহত
  • বিষপান করে গৃহবধু গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি
  • গোপালগঞ্জে তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা সমাপ্ত
  • ডিএনসিসিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী রিপন!
  • গোপালগঞ্জে বোরো ধানের চার ভাগের এক ভাগ সেচের পানিতে যাচ্ছে
  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত
  • রাজধানীতে দেড় বছর শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু
  • শীতে কাঁপছে ঢাকাও
  • রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের সাক্ষ্য
  • ফানুস উড়ালেই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ
  • জাবি সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো আওয়ামী সমর্থিতরা
  • একাধিক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।