ঢাকা | সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
কৃষি

বিশ্বনাথে ৮হাজার হেক্টর জমি অনাবাধি!

আক্তার আহমদ শাহেদ, বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রকাশিত হয়েছে: ২৬-০১-২০১৭ ইং । ১৫:২৭:২১

বোরো মৌসুমে সেচের অভাবে সিলেটের বিশ্বনাথে প্রায় ৮হাজার হেক্টর জমি অনাবাধি রয়েছে। কৃষকদের জমির আশেপাশে সেচের কোনপ্রকার সুযোগ সুবিদা না থাকায় বছরের পর বছর জমিগুলো অলস পড়ে থাকে। উপজেলার কৃষকরা সরকারি সুযোগ সুবিদা পাওয়ায় অতীতের তুলনায় বর্তমানে চাষাবাদে অনেকটা আগ্রহ বেঁড়েছে।

কিন্তু আগ্রহ থাকলেও সেচের অভাবে অনেক কৃষকরা জমিতে চাষাবাদ বাড়াতে পারছেন না। তার পরেও এবছর বোরো আবাদে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যে কৃষকরা অতি আগ্রহে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে জমিতে বোরো চাষ করছেন। উপজেলার সর্বত্র এখন চলছে বোরো আবাদের ধূম। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৮টি ইউনিয়নে বোরো আবাদের উপযোগী মোট জমি রয়েছে- ১৩হাজার ৮শত ৭০হেক্টর। তার মধ্যে সেচের অভাবে ৭হাজার ৮শত ৭০হেক্টর জমি অলস পড়ে থাকে। জমিগুলোর আশেপাশে পানি সেচের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা অলসকৃত জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। তার পরেও হাওর পাড়ের কৃষকরা অতি আগ্রহে চাষাবাদ করতে দেখা গেছে।

গত বছর পুরো উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা ছিল মাত্র ২হাজার ৫০হেক্টর। তার লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছিল ৭হাজার ৬শত হেক্টর। চলতি বছরে পুরো উপজেলায় লক্ষমাত্রা রয়েছে ৭হাজার ৩৫হেক্টর। এই লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে এবছরে চাষাবাদ হতে পারে ৮হাজার হেক্টর। এমন আশাবাদ ব্যক্ত কনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

এছাড়াও উপজেলার সবচেয়ে বড় হাওর চাউলধনীতে কোনো স্লুইস গেইট না থাকায় বিপাকে রয়েছেন কৃষকরা। এই হাওরের কৃষকরা বর্ষায় নিজ উদ্যোগে মাকুন্দা নদীতে সংযোগ খালে বাঁধ নির্মাণ করে পানি আটকিয়ে রাখেন। পরে বোরো মৌসুম হলে ওই বাঁধের পানি দিয়ে চাষাবাদ করেন। সরকারী উদ্যোগে ওই হাওরে একটি স্লুইস গেইট নির্মাণ করা হলে এলাকার কৃষকদের দুর্ভোগ অনেকটা দূর হবে বলে অনেকেই মনে করেন।

শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।