ঢাকা | সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
ইসলাম ও জীবন

নাজাতের দিনগুলির প্রতিটি মুহূর্তের গুরুত্ব অনেক

বাংলাপেইজ ডেস্ক : প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০৬-২০১৭ ইং । ০২:০৩:০৬

পবিত্র রমাজানের শেষ দশকের দিনগুলো চলছে। নাজাতের দিনগুলির প্রতিটি মুহূর্তের অনেক গুরুত্ব। এ সময় প্রতিদিন মহান রাব্বুল আলামিন কোটি কোটি মানুষকে জাহান্নামের তালিকা থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতের কাতারে শামিল করেন। এ কারনেই রাসুল (সাঃ) বলেছেন, এটি এমন একটি মাস, যার প্রথম ভাগে আল্লাহর রহমত, মধ্যভাগে গুনাহের মাগফিরাত এবং শেষ ভাগে দোজখের আগুন থেকে মুক্তিলাভ রয়েছে (মিশকাত)। সুতরাং আল্লাহতায়ালার রহমতে নাজাতের দশদিন পরকালের শাস্তি থেকে চিরমুক্তির এক সুনিশ্চিত ব্যবস্থা। তবে যদি কেউ এই সুযোগ যথাযথ ব্যবহার না করে অবাধ্যতায় নিমজ্জিত থাকে তার ওপর আল্লাহ তায়ালা অভিসম্পাত করেছেন।
হযরত যাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) এর কাছে ফেরেশতা জিব্রাইল (আঃ) এসে বললেন, যে রমজান মাস পেয়েও নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারলো না সে ধ্বংস হোক! নবী করীম (সাঃ) বললেন আমিন। তাই পবিত্র মাহে রমজানের নাজাতের এই দশ দিনকে চিরমুক্তির মহাসুযোগ মনে করে সার্বক্ষণিক ইবাদতে নিমজ্জিত থাকা প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য। সার্বক্ষণিক ইবাদতে মগ্ন থাকার একটি শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হলো ইতিকাফ। ইতেকাফ হলো সকল কাজ থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর ইবাদতের জন্য মসজিদে অবস্থান করা। নাজাতের দশদিন ইতিকাফে থাকার স্বতন্ত্র ফজিলতও রয়েছে। নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করবে, তার জন্য দুই হজ ও দুই ওমরার সওয়াব রয়েছে (বায়হাকি)। তিনি আরো বলেন, যে ব্যক্তি ইবাদত মনে করে সওয়াবের নিয়তে ইতিকাফ করেন, তার সব সগিরা গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
নবী করিম (সা.)-এর ফরমান, ‘ইতিকাফকারী ব্যক্তি যাবতীয় পাপ থেকে মুক্ত থাকে আর ইতিকাফে লিপ্ত থাকার জন্য কোনো ব্যক্তি বাইরের কোনো নেক কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকলেও ওই নেক কাজগুলোর পূর্ণ নেকি সে লাভ করবে।’ (ইবনে মাজা) অন্য বর্ণনায় নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এক দিনের ইতিকাফ করল, তার ও দোজখের মধ্যখানে আল্লাহ এমন তিনটি পরিখা তৈরি করে দেবেন, যার একটি থেকে অপরটির দূরত্ব হবে পূর্ব ও পশ্চিমেরও বেশি।’ (তিরমিজি)।
ইতিকাফ পালন করা সুন্নত। নবী করীম (সাঃ) এর একটি দায়েমী আমল। হযরত আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ রাসূলুলুল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসের শেষ দশকে মসজিদে ইতেকাফ করতেন। যতদিন না আল্লাহ তাকে মৃত্যু দান করেছেন ততদিন তিনি এ আমল অব্যাহত রেখেছেন। তার ইন্তেকালের পর তার স্ত্রীগণ ইতেকাফ করেছেন। [বুখারি : ২০২৫]

ডিআর/৮৪

শেয়ার করুন
সর্বশেষ খবর ইসলাম ও জীবন
  • জেরুজালেম সফরে ওমর (রা.)
  • পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা আজ
  • সিলেট জামানিয়া দরবার শরীফে ইসালে ছওয়াব মাহফিল বুধবার
  • মুমিনের ব্যবহার কেমন হওয়া চাই?
  • সিলেট শহরতলির টুকেরবাজারে একই পরিবারের ২জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
  • দিনাজপুরে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাআ’ত
  • জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আযহার প্রধান জামাআ’ত অনুষ্ঠিত
  • আজ পবিত্র ঈদুল আজহা : ত্যাগেই খুশি আর মুক্তি
  • পবিত্র ঈদ-উল-আজহায় করণীয়-বর্জনীয়
  • এ র্পযন্ত সৌদিআরবে ২৩ বাংলাদেশী হাজীর মৃত্যু
  • হজ্বে গমণেচ্ছুদের ভিসার আবেদন নেয়া হবে রোববার
  • একজন মুসলিমের প্রাত্যহিক জীবন কেমন হওয়া উচিৎ ?
  • জেদ্দায় নামলো ১ম হজ ফাইট
  • একজন হ্যাপী থেকে আমাতুল্লাহ হয়ে উঠার গল্প
  • নাজাতের দিনগুলির প্রতিটি মুহূর্তের গুরুত্ব অনেক
  • বিশ্বজয়ী হাফেজ তরিকুল
  • রোজার কাযা ও ফিদ্য়া’র হুকুম
  • রমজানে যা পালনীয়
  • তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত
  • তারাবিহ্ নামাজ পড়ার নিয়ম
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।